কক্সবাজার, রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

ঘরে থাকা সোনা দিয়েই আয়ের পথ দেখাচ্ছে ব্যাংক

বিয়ে ছাড়াও এ উপমহাদেশে সোনার গহনার কদর সবসময়ই ভিন্ন মাত্রার। অনেকের কাছে সামাজিক মর্যাদার একটা বিষয়ও সোনা। যে কোনো উপলক্ষ্যে সোনার কদর যে কতখানি তা যারা সোনা ব্যবহার করেন তারা জানেন।
তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ঘরে সোনার গহনা থাকলেও তা নিয়মিত পরা হয় না। কেনার পর নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেকেই ভারী গহনাগুলো আর গায়ে তোলেন না। বছরের পর বছর তা পড়ে থাকে বাড়ির আলমারি কিংবা ব্যাংকের লকারে। তা নিয়েও থাকে বাড়তি চিন্তা। বাড়িতে রাখলে চুরি, ডাকাতির ভয় আবার ব্যাংকের লকারে রাখলে তার জন্য টাকা খরচ করতে হয়।

মূলত সেই জায়গাটা ধরেই নতুন একটি প্রকল্প নিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। প্রকল্পটি মূলত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের। সাধারণ মানুষের কাছে গচ্ছিত থাকা সোনা যাতে কাজে লাগে সেই লক্ষ্যেই এই প্রকল্প। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে রিভ্যাম্পড গোল্ড ডিপোজিট স্কিম (আর-জিডিএস)।

এ প্রকল্পে তিনভাবে বিনিয়োগ করা যায়। আলাদা আলাদা হারে সুদ বাবদ আয় হতে থাকে সারা বছর।

১ থেকে ৩ বছরের জন্য স্বল্পকালীন, ৫ থেকে ৭ বছরের জন্য মধ্যমেয়াদি এবং ১২ থেকে ১৫ বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী সবচেয়ে কম ১০ গ্রাম সোনা বিনিয়োগ করা যায়। সেটা সোনার বার কিংবা গহনা হতে পারে। বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নেই।

স্বল্পকালীন বিনিয়োগে এক বছরের জন্য সুদ বছরে ০.০৫ শতাংশ। দু’বছর পর্যন্ত ০.৫৫ শতাংশ আর তার বেশি হলে ০.৬০ শতাংশ হারে সুদ মেলে। মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগে সুদের হার বছরে ২.২৫ আর দীর্ঘমেয়াদির ক্ষেত্রে ২.৫০ শতাংশ।

নিয়ম অনুযায়ী এই প্রকল্পে যে সময়ে অংশ নেওয়া হবে তখন সোনার দর অনুযায়ী বিনিয়োগের মোট পরিমাণ নির্ধারিত হবে। তার ওপরেই মিলবে সুদ। প্রতি আর্থিক বছরের শেষে ৩১ মার্চ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সুদ জমা পড়বে। গ্রাহক চাইলে প্রতি বছর সরল সুদ নিতে পারেন অথবা মেয়াদের শেষে সমষ্টিগত সুদ নিতে পারেন। সূত্র : আনন্দবাজার।

পাঠকের মতামত: