কক্সবাজার, শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১

চট্টগ্রামে করোনার দুর্যোগে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম::

এক করোনাভাইরাসের প্রকোপে বিশ্বজুড়ে চলছে দুর্যোগ। এমন দুর্যোগে চট্টগ্রামে যোগ হয়েছে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ। গত শনিবার রাতে এবং আজ সকালের হালকা-ভারী বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে নগরের অনেক এলাকায়। ফলে করোনার দুর্যোগে এখন সঙ্গী হয়েছে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট মেঘের ঘনঘটায় ভোর থেকে শুরু হয় হালকা বৃষ্টি। সকাল নয়টার পর যা ধীরে ধীরে মুষলধারে রূপ নেয়। ঘণ্টাব্যাপী ভারি বর্ষণের পর বিরতি নিয়ে বৃষ্টি পড়ে।

সতর্ক সংকেত না থাকলেও দিনভর আকাশ মেঘলা-মেঘাচ্ছন্ন ছিল। তাছাড়া বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের বেশ কিছু এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। আবহাওয়ার কোনো সতর্কবার্তা নেই। তবে আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকবে।

হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি থাকবে। বাতাসের গতিবেগ স্বাভাবিক থাকবে। ’
জানা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই নগরের অনেক নিন্মাঞ্চলে পানি জমে যায়। তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। নগরের বহদ্দারহাট হক মার্কেট, শোলকবহর, কাপসগোলা, বাদুরতলা, হালিশহর বড়পুল, ছোটপুল, বেপারি পাড়া, সুপারি পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের কাজ করোনার কারণে বন্ধ আছে। তিন বছর মেয়াদকালের এ প্রকল্পের দুই বছর পার হলেও কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ। খাল খনন, খাল পরিস্কারসহ এখনো নানা কাজ বাকি। ফলে আগামী বর্ষা মৌসুমে নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দিন বলেন, ‘করোনার কারণে বর্তমানে কাজ বন্ধ। তবে রুটিন ওয়ার্ক হিসাবে পানি নিষ্কাশনে প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হচ্ছে।

পাঠকের মতামত: