কক্সবাজার, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

আর্জেন্টিনা কি পারবে বলিভিয়াকে হারাতে?

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ৮৩তম দল বলিভিয়া। সেই দলের বিপক্ষে খেলবে এক নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনা। যেখানে অনুমিতভাবে এগিয়ে থাকবে লা আলবিসেলেস্তেরা। কিন্তু খেলাটি হবে বলিভিয়ার মাঠে, যেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬৫০ মিটার উঁচুতে। ফলে খুব সহজেই ম্যাচটির ফল বলে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ২টায় বলিভিয়ার লা’পাজে হার্নান্দো সাইলস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্বাগতিক বলিভিয়া। ম্যাচটিতে শুরুর একাদশে লিওনেল মেসির থাকা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ইকুয়েডরের বিপক্ষে চোটে পড়ার পরে বিগত চারদিন আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে অনুশীলনে দেখা যায়নি।

অক্সিজেন টিউব হাতে আর্জেন্টিনার দুই ফুটবলার রোমেরো এবং ম্যাক অ্যালিস্টার। ছবি: সংগৃহীত
অক্সিজেন টিউব হাতে আর্জেন্টিনার দুই ফুটবলার রোমেরো এবং ম্যাক অ্যালিস্টার। ছবি : সংগৃহীত

এ দিকে ২০২২ সালের ২২ নভেম্বরের পরে আর্জেন্টিনা এখন হারের মুখ দেখেনি। কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পরে ঘুরে দাঁড়ায় লিওনেল মেসির দল, যেখান থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঘরে ফেরে আকাশি-নীলরা। বিশ্বকাপের পরে ৪টি প্রীতি ও ১টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলেছে মেসির দল। আর সবগুলোতেই জয় রয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

ইকুয়েডরের বিপক্ষে চোটে পড়ার কারণে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে বলিভিয়ার বিপক্ষে শুরুর একাদশে পাওয়া নিয়ে

এবার বলিভিয়ার মুখোমুখি হয়েছে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আর্জেন্টিনা। কিন্তু ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও বলিভিয়া নিজেদের ঘরের মাঠে খুব শক্তিশালী দল। প্রতিপক্ষের মাঠে দুর্বল বলিভিয়াই নিজেদের মাটিতে বাঘা-বাঘা দলকে হারিয়েছে। ডিয়েগো ম্যারাডোনার অধীনে ২০১০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলায় এই মাঠেই ৬-১ গোলের স্বাক্ষী হয়েছিলেন মেসি। যদিও কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে জয় পেয়েছিলেন তিনি।

তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বলিভিয়ায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের হাতের অক্সিজেন টিউব দেখে শঙ্কায় রয়েছেন ভক্তরা। আবার শুরুর একাদশে মেসিকে না পাওয়া নিয়ে সংশয় তো রয়েছেই। ফলে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বেশ কঠিন পরীক্ষাই দিতে হতে পারে কাতার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের। হার্নান্দো সাইলস স্টেডিয়ামটি সফরকারী প্রতিটি দলের জন্য বদ্ধভূমি হিসেবে কুখ্যাত। পাহাড়সমান উচ্চতায় অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলা দূরের কথা, ঠিকমতো শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়াই কঠিন।

পাঠকের মতামত: