কক্সবাজার, রোববার, ৩ মার্চ ২০২৪

পর্যটক আসলো ট্রেনে চড়ে

নাদিয়া রহমানের এটি প্রথম ট্রেন জার্নি। বাবা মা এবং একমাত্র ভাইকে সাথে নিয়ে কক্সবাজার এসেছেন ট্রেনে চড়ে। দীর্ঘ সাড়ে আট ঘন্টার ট্রেন জার্নি তাঁর রোমাঞ্চকর মনে হয়েছে। নাদিয়ার মতো অরো অনেকেই প্রথম বারের মতো ট্রেনে চড়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন টিটিএন এর কাছে।

দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে এটিই পর্যটকবাহী প্রথম ট্রেন। যার নাম দেয়া হয়েছে “পর্যটক এক্সপ্রেস” । বুধবার (১০ জানুয়ারি) ভোর সোয়া ছয়টায় ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। ৭৮৫ যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি ছুটে চলে পর্যটন শহরের উদ্দেশ্য। দীর্ঘ সাড়ে আট ঘন্টার যাত্রায় ট্রেনটি বিমান বন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। এরপর আবারো কক্সবাজারের উদ্দেশ্য পর্যটক এক্সপ্রেস। সবশেষ ১৬ কোচের আধুনিক এই ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৩ টায় পৌঁছে কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশনে।

কক্সবাজার পৌড়া মাত্রই ট্রেনের যাত্রীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় পর্যটন সেবায় জড়িতরা। এদিকে ট্রেন ভ্রমন নিয়ে সন্তুষ্ট সবাই। তবে অনেকেই খাবার এবং টয়লেটের মান নিয়ে অসন্তুষ্টি জানালেও বেশীর ভাগই এই ট্রেন যাত্রার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজার রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী টিটিএনকে জানান, টিকিট নিয়ে কোন ধরনের সমস্যা নেই। সবাই এ্যাপের মাধ্যমে টিকিট সহজে কিনতে পারবে বলে জানান তিনি। এছাড়াও ট্রেনের অব্যবস্থাপনা বিষয়টি তিনি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, বেসরকারীভাবে ট্রেন যাত্রীদের সেবায় পর্যাপ্ত লোকবল রয়েছে। এতে সমস্যা হওয়ার আশংকা দেখছেন না বলে জানান তিনি।

এদিকে গেল ৩ জানুয়ারি থেকে ট্রেনটির টিকিট বিক্রি শুরু করেছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে।
“পর্যটক এক্সপ্রেস” এই ট্রেনের ভাড়া আগের মতো অর্থাৎ শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৯৫ টাকা।এসি চেয়ারের ভাড়া ১ হাজার ৩২৫ টাকা, এসি সিটের ভাড়া ১ হাজার ৫৯০ টাকা।

পাঠকের মতামত: