কক্সবাজার, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

১২ গ্রামের মানুষ এখনও ঝুঁকিতে

মহেশখালীর নিম্নাঞ্চল থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। এতে ভেসে উঠছে সড়ক, উপ-সড়ক, কাঁচা রাস্তা ও বাঁধের ক্ষতচিহ্ন। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকির মধ্যে আছে সাইরারডেইল, দক্ষিণ রাজঘাট, বিলপাড়াসহ ১২ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।

বৃষ্টির পানি আর জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়া গ্রামীণ জনপদে নষ্ট হয়েছে কৃষকের বীজতলা, ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাইটপাড়া ও জেলে পাড়ার অনেক ঘরবাড়ি। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের জন্য ১ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ভাঙা বেড়িবাঁধের কারণে উপজেলার মাতারবাড়িতে জলাবদ্ধতায় বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। দেশের সর্ববৃহৎ কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প হওয়ার সুবাদে ইউনিয়নের চতুর্দিকে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কথা রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত পানির সঙ্গে বসবাস করে এলেও পানি সরানোর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীকি মারমা পূর্বকোণকে বলেন, মাতারবাড়িতে জলাবদ্ধতার কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অবগত করেছে। এরপর ক্ষতিগ্রস্তদের ১ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাঠকের মতামত: