কক্সবাজার, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

১৫৪ বছর পর দৃষ্টিনন্দন আধুনিক বহুতল ভবন পাচ্ছে কক্সবাজার পৌরসভা

প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫৪ বছর পর প্রথমবারেরমতো আধুনিক দৃষ্টিনন্দন মাল্টিপারপাস বহুতল ভবন পাচ্ছে কক্সবাজার পৌরসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান মেয়র মুজিবুর রহমানের প্রচেষ্টায় পাওয়া এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হচ্ছে আজ (৫ জুলাই)। এ উপলক্ষে নাগরিক সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছেন মেয়র মুজিব।
৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া ১০ তলা বিশিষ্ট আধুনিক এ ভবন বাস্তবায়ন হলে পুরোপুরিই বদলে যাবে পর্যটন নগরীর চেহারা। ভবনের সবগুলো ফ্লোরে পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তর থাকবে। ইতোমধ্যে বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ভবনের নকসা তৈরীও শেষ হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে আরবান ডেভেলপমেন্ট সিটি গভর্নেস প্রজেক্ট (ইউডিসিজিপি) প্রকল্পের আওতায় ভবনটি আলোর মুখ দেখতে সময় লাগবে আনুমানিক দেড় থেকে দুই বছর।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার পরাক্রম চাকমা জানান, একটি সিটি কর্পোরেশন ভবনে যে ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকে তার সবগুলোই থাকবে এই ভবনে। কারণ সারাদেশের ৩৩৯টি পৌরসভার মধ্যে এটি প্রথম শ্রেণীর বিশেষ পৌরসভা। সেই আদলে আধুনিক এই পৌর ভবন নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন মেয়র মুজিবুর রহমান।
কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার সালাম জানান, জেলা সদরের এই পৌরসভা দীর্ঘদিনের পুরোনো হলেও ছোট খাটো কিছু কাজ ছাড়া এতো বছর তেমন কোন উন্নয়ন পায়নি এখানকার নাগরিকরা। ফলে গত কয়েক বছরে রাস্তাঘাটের আমূল পরিবর্তনের পর এবার আধুনিক পৌর ভবনটি নির্মাণ হলে সরকার প্রধানের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাবে পৌরবাসী।
কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে না চাইতেই অনেক কিছু দিয়েছেন, সে জন্য আমি তাঁর প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় আমি দীর্ঘ ১৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটগুলো টেকসই আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে এখন আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় রূপ দিয়েছি। যে সড়ক দিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যটক এবং স্থানীয়রা নিখুঁতভাবে যাতায়াত করছে প্রতিনিয়ত। পৌরবাসীকে এমন সুন্দর অভূতপূর্ব উন্নয়ন দিতে পেরে আমি খুবই সন্তুষ্ট। সরকার প্রধানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবার আমি আধুনিক যে পৌর ভবনটি করতে যাচ্ছি সেটি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে ওই ভবন থেকে স্মার্ট নাগরিকরা স্মার্ট সেবা নিতে পারবে।

পাঠকের মতামত: